সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬, ০৯:১৬ অপরাহ্ন

News Headline :
পাবনা জেলা জাসাসের আহবায়ক খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগ বিশ্বের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংযোগ গড়ে তুলতে হবে: শিমুল বিশ্বাস শিক্ষক সমাজকে মাদক প্রতিরোধে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে: ভূমিমন্ত্রী মিনু বগুড়া শাজাহানপুরে সাড়ে ১৩কেজি গাঁজা সহ স্বামী ও স্ত্রী গ্রেফতার পাবনা র‌্যাবের অভিযানে ২শত৯৫ পিস ইয়াবাসহ ১ জন গ্রেফতার  রাজশাহীতে শিশুদের হৃদরোগ চিকিৎসায় সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস ভূমিমন্ত্রীর পাবনা  ঈশ্বরদীতে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকায় মোটরসাইকেল চুরির চেষ্টা, তিন চোর গ্রেফতার মোটরসাইকেল উদ্ধার বদলগাছীতে বিএনপি কর্মীকে মারধর, টাকা কেড়ে নিয়ে মোবাইল ভাঙার অভিযোগ শিশুদের হাতে অপ্রয়োজনীয় স্মার্টফোন নয়: বিভাগীয় কমিশনার পাবনার ভাঙ্গুড়ায় জগন্নাথ দেবের উল্টো রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত

বগুড়া ধুনটে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছে ও জনবসতিতে বিটুমিন পোড়ানোর বিষাক্ত কালো ধোঁয়া টেকা দায়

Reading Time: < 1 minute

মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার, ধুনট বগুড়া :
বগুড়া জেলার ধুনটে লাগোয়া দুটো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মধ্যবর্তীস্থান সরকারি হেলি প্যাডের জায়গা। এটি দখল করে রাস্তা নির্মাণ সামগ্রী রেখেছে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। পরিবেশ দূষণকারী পদার্থ পুড়িয়ে বিটুমিন গলানো ও মিক্সিং করায় দুর্গন্ধ, কালো ধোঁয়া ও বিকট শব্দে শিক্ষার্থীদের শ্রেণি কক্ষে টেকা দায় হয়ে পড়েছে। এই হেলি প্যাডের দক্ষিণে রয়েছে ধুনট সরকারি ডিগ্রি কলেজ ও উত্তর পাশে রয়েছে হেমায়েতুল মিল্লাত নামে একটি আবাসিক মাদ্রাসা ও মসজিদ। দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হাজার হাজার শিক্ষার্থী পড়ালেখা করে। ৩০ সেপ্টেম্বর সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সেখানে বিটুমিন ও পাথর মিক্সিং করতে রাবার প্লাস্টিকের পুরাতন জিনিস পত্র, ছেড়া কাঁথা পুড়িয়ে কালো ধোয়া সৃষ্টি করে পরিবেশ নষ্ট করছে। চারিদিকে পঁচা দূর্গন্ধ, কালো ছাই উড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভিতর প্রবেশ করছে এতে শিক্ষার্থীদের ক্লাশ করা ও আবাসিক শিক্ষার্থীদের বসবাসে অসুবিধা হচ্ছে। কালোধোঁয়া নির্গত হওয়ায় পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। মিক্সচার মেশিনের বিকট শব্দে তৈরি করছে শব্দ দূষণ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দু’টির প্রধানসহ অন্যান্য শিক্ষক বৃন্দ আপত্তি জানালে ঠিকাদার ওহাব জায়গা পরিবর্তন করার কথা বললেও এখন পর্যন্তও কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন নাই। পার্শ্ববর্তী আবাসিক এলাকার জনসাধারণ ঠিকাদারকে অভিযোগ করলেও তিনি তা আমলে নিচ্ছেন না। বিষয়টি তাই জনরোষে পরিনত হয়েছে। এব্যাপারে জনপ্রতিনিধিদের সাথে কথা বলে কোন প্রকার সুরাহা হচ্ছে না। ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ এর সাথে এব্যাপারে কথা বললে উনি বেশ দুঃখ প্রকার করেন। করোনা মহামারীর আতঙ্ক এখনো কাটেনি, অনেক সাবধানে সচেতনতার সাথে কলেজ খুলে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে, মাস্ক পরে শিক্ষার্থীদের কোন রকম পাঠদান শুরু। এর উপর এধরনের ঝুঁকিপুর্ন পরিবেশে পাঠদান সবাই তাই আতঙ্কিত। সকল সচেতন মহল সহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com